বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯

আউটসোর্সিং বিষয়ে নতুনদের যে দক্ষতা থাকতেই হবে না থাকলে প্রশিক্ষন নিবেন জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ টপ.আইটির (পরিচালক))

ইন্টারনেটে আউটসোর্সিং করে টাকা ইনকাম করতে চাইলে কি কি দক্ষতা থাকা দরকার ,তা জানা খুবই জরুরী। আউটসোর্সিং এর কাজগুলো বিভিন্ন ক্যাটাগরির হয়ে থাকে। যেমন- ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডাটা এন্ট্রি, নেটওয়ার্কিং এর কাজ,  এন্ড মাল্টিমিডিয়া, সেলস এন্ড মার্কেটিং, পার্সোনাল হেল্প, আর্টিকেল লেখা ও অনুবাদ  ইত্যাদি।

ওয়েবডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্টঃ
এটি হচ্ছে ওয়েবসাইট তৈরি করে দেয়ার কাজ। আপনাকে আপনার ক্লাইন্ট কে তার প্রতিষ্ঠানের জন্য বা কোন সার্ভিস এর জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে দিতে হবে। এর জন্য আপনাকে ওয়েব প্রোগ্রামিং যেমন- HTML, CSS জানতে হবে। ইচটিএমএল এর লেটেস্ট ভার্শন এইচটিএমএল ৫ জানা থাকলে আরও ভাল। এর পাশাপাশি আপনাকে পিএইচপি, অল্প মাত্রায় জাভা জানা থাকতে হবে। তাছাড়াও ওয়ার্ডরপ্রেস, জুমলা ইত্যাদি শিখতে পারেন।
SEO অথবা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনঃযারা ফ্রীল্যান্সিং এর জগতে আছেন কিন্তু এসইও এর নাম শোনেন নি এমন লোক পাওয়া দুর্লভ। কারন এসইও হচ্ছে খুবই কমন একটি কাজ। আপনার বানানো ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন যেমন- গুগল, ইয়াহু, বিং ইত্যাদিতে প্রমোট করার মাধ্যমে তাদের সার্চ রেজাল্টে নিয়ে আসাকেই সহজ কথায় এসইও বলা হয়। নতুনদের জন্য ফ্রীল্যান্সিং শুরু করার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে এসইও। এটি মূলত সেলস এবং মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট এর অন্তর্ভুক্ত। অনলাইনে আপনার ওয়েব সাইটের প্রচার এবং ভিজিটর এর জন্য এসইও অতি গুরুত্বপূর্ণ। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে বেড়েই চলেছে এসইও এর কাজের সংখ্যা।
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টঃ
অনলাইন জগতের একটি বড় অংশ হচ্ছে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট। এই সেক্টরে আমাদের জন্য রয়েছে ব্যাপক সম্ভাবনা। তবে এর কাজ শেখাটা অন্যান্য কাজের তুলনায় একটি জটিল। এর মধ্যে রয়েছে- ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, গেম তরি, বিভিন্ন প্লাগ ইন তৈরি, মোবাইল অ্যাপ তৈরি, সফটওয়্যার প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি। একটি কষ্ট করে কাজ শিখতে পারলে আপনিও এই সেক্টরে কাজ করতে পারেন।
সেলস এন্ড মার্কেটিং কাজঃ
এটি একটি অনেক বড় সেক্টর। এর মধ্যে রয়েছে এসইও, বিজ্ঞাপন, ইমেইল-মার্কেটিং, এসএমএম বা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, এসইএম বা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং, মার্কেট রিসার্চ এন্ড এ্যনালাইসিস, সেলস জেনারেশন, বিজনেস প্ল্যানিং ইত্যাদি। এই ধরনের কাজের জন্য প্রথমে আপনাকে দক্ষ হতে হবে।এই ধরনের পেশায় আপনি বেশ ভাল পরিমান অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
রাইটিং এন্ড ট্রান্সলেশনঃ
এই বিষয়ে কাজ করতে গেলে আপনাকে ইংরেজীতে বেশ দক্ষ হতে হবে। ইংরেজিতে দক্ষ হলে আপনি আর্টিকেল লিখে আয় করতে পারবেন। আর যদি আপনি বিভিন্ন দেশের ভাষা জেনে থাকেন তাহলে ট্রান্সলেশনের কাজও করতে পারেন। তবে শুধু কাজ করার জন্য আবার বিভিন্ন দেশের ভাষা শিখতে যাবেন না।
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্টঃ
এর মধ্যে আছে বিভিন্ন ধরনের ডাটা এন্ট্রি এর কাজ, পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট, ওয়েব রিসার্চ, ইমেইল হ্যান্ডলিং ইত্যাদি। কম্পিউটারের উপর ভাল দক্ষতা থাকলে আপনি এই কাজ করতে পারেন।
বিজনেজ সার্ভিসঃ
এছাড়াও এই সকল মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্টিং, বিজনেস প্লানিং, বিজনেস কন্সাল্টেশন এর কিছু কাজ পাওয়া যায়। ভাল মার্কেট অ্যানালাইজার হতে পারলে আপনিও এই কাজ করতে পারবেন। এই গুলোই মূলত অনলাইন মার্কেট গুলোর সবচেয়ে কমন কাজ। আপনি যদি ভালভাবে কাজ শিখতে পারেন তাহলে আপনিও বেশ ভাল মানের কাজ করতে পারবেন। অনেকে বলে থাকেন এখন নাকি ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটে কাজ পাওয়া যায়না। এটা সম্পূর্ণই ভুল তথ্য। আসলে আগে অনেকেই কাজ না জেনেও ভাওতাবাজি দিয়ে কাজ নিত। ক্লাইন্ট বিশ্বাস করে কাজ দিত ঠিকই কিন্তু অবশেষে কাজটি করতে না ক্লাইন্ট এর কাছে বাজে ফিডব্যাক পাওয়া যেত। এখন আসলে ভাওতাবাজির দিন শেষ। এই জন্য আপনাকে আগে খুব ভালভাবে কাজ শিখে নিতে হবে এবং প্র্যাক্টিস করতে হবে। সাথে সাথে আপনি যে কাজটি পারেন সেটি ক্লাইন্ট কে বোঝানোর জন্য বেশ ভাল মানের পোর্টফোলিও বানাতে হবে। এই ভাবে চেস্টা করলে অবশ্যই দ্রুত কাজ পাওয়া সম্ভব।
আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে যোগাযোগ করুন

Email: freelancingbd2001@gmail.com 

Mobile: 01941099667

আমাদের পোস্টটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তবে অবশ্যই শেয়ার করবেন। পেইজটিকে Like দিবেন; যাতে আমরা উৎসাহ পাই এবং আপনাদেরকে আরও ভালো ভালো এবং গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দিতে পারি। সকল ধন্যবাদ শুভকামনা রইল।

জেনে নিন!!! আউটসোর্সিং কি?কোথায় কাজ করবেন? কিভাবে করবেন? কোন মার্কেটপ্লেসকে বেছে নিবেন???


প্রশিক্ষন নিন আপনি নিজেকে দক্ষতা আত্নবিশ্বাস নিয়ে কাজ করুন আপনি সফল হবেন ।

ইদানিং বাংলাদেশে খুব বেশি মাতামাতি হচ্ছে আউটসোর্সিং নিয়ে। রাতারাতি বড়লোক হবার বাহারি ও
রকমারি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে আকৃষ্ট করার পায়তারায় মত্ত আছে একটি শ্রেনী। অনলাইনে আয় করার এইসব
বাহারি বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে প্রতারিতও হচ্ছেন অনেকে। কেউ কেউ আবার এই ক্ষেত্রটিকে সদ্য সমালোচিত এমএলএম
ব্যাবসার সাথে গুলিয়ে ফেলছেন। বাস্তবে আসলে কি 

থা বিশ্বের সকল দেশেই আউটসোর্সিং জগতে কাজ করে এমন অনেক মানুষ রয়েছে। কিন্তু তাদের সবাই শতভাগ সফল হতে পারে না। মনে রাখবেন আউটসোর্সিং যেহেতু মুক্ত পেশা,
সেখানে আপনার জবাবদিহিতার চেয়ে আপনার কাজের জবাবদিহিতা বেশি। আপনি এই জগতে আসবেন অবশ্যই উপার্যন করার জন্য, এবং আপনি যার কাছ থেকে এই উপার্জনটুকু নিবেন তাকে কোন না কোন সেবা প্রদান করেই এই উপার্যনটুকু করবেন। সুতরাং আপনার কাজ যদি সঠিক না হয়, আপনার কাজে যদি জবাবদিহিতা না থাকে, আপনি যদি কাজ করার ক্ষেত্রে মনযোগী না হন,
আপনার কাজে যদি স্বচ্ছতা না থাকে তাহলে আপনি এই সেক্টরে সফল হতে পারবেন না। আউটসোর্সিং এ সবসময় আপনি নিজেকে দিয়ে মূল্যায়ন করবেন। অর্থাৎ আপনি নিজে যদি এই
কাজটি (যে কাজটির জন্য আপনি মনোনিত হয়েছেন) অন্য কাউকে দিয়ে করাতেন তাহলে তার কাছ থেকে আপনি কি আশা করতেন, এবং অবশ্যই তার চেয়ে একটু বেশিই দেবার চেষ্টা করবেন।
তাহলে যে আপনাকে দিয়ে কাজ করাবে সেও খুশি থাকবে আপনার কাজ পাবার সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে।
কাজ পাবেন যেখানে: আউটসোর্সিংয়ের কাজ পাওয়া যায় এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে। আবার ভুয়া সাইটও বের হয়েছে। ফলে সতর্ক হয়েই কাজ শুরু করতে হবে।
আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এবং নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সাইটের ঠিকানা দেওয়া হলো— http://www.odesk.comhttp://www.freelancer.comhttp://www.elance.comhttp://www.getacoder.comhttp://www.guru.com,
http://www.vworker.comhttp://www.scriptlance.com ইত্যাদি।
আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে যোগাযোগ করুন

Mobile: 01941099667



সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯

নতুন ফোন কিনে স্বচেতন হতে হবে কি করলে সমাধান হবে জানতে পোষ্টটি পড়ুন জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ টপ.আইটির (পরিচালক)

নতুন ফোন কিনে স্বচেতন হতে হবে  কি করলে সমাধান হবে জানতে পোষ্টটি পড়ুন জেনে নিন 


নতুন ফোন কিনে প্রথমেই প্লে স্টোরে গিয়ে নিজেদের পছন্দের অ্যাপগুলো নামিয়ে ফেলি। কিন্তু গুগল প্লে স্টোরের সব অ্যাপ কিন্তু নিরাপদ নয়। যেকোনো একটি অ্যাপের নাম লিখে গুগল প্লে স্টোর, উইন্ডোজ স্টোর কিংবা আইওএস অ্যাপ স্টোরে সার্চ দিলে দেখবেন, কাছাকাছি নামের ও দেখতে একই রকম বেশ কিছু অ্যাপ হাজির হবে। যেমন-ভাইবার লিখে সার্চ দিলে ভাইবার, ভাইবার মেসেঞ্জার, ভাইবার মিডিয়া, ইত্যাদি সার্চ রেজাল্টে চলে আসে। এ ক্ষেত্রে সঠিক অ্যাপ চেনার জন্য ছোট্র কিছু বিষয় নজরে রাখতে হয়।
ডেভেলপারের নাম
যেকোনো অ্যাপ ডাউনলোড করার আগে ডিটেইলসে গিয়ে ডেভেলপারের নামের জায়গাটি দেখুন। কোনো প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ বা একক মালিকানার অ্যাপ হলে সেই নামটি দেখতে পাবেন। এই নামটি দিয়ে প্রয়োজনে গুগল করে বা অন্য কোনো সার্চ ইঞ্জিনে যাচাই করে দেখে নিন। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেওয়া থাকলে সরাসরি তা ভিজিট করে দেখে নিন। নকল নামের অ্যাপগুলোতে তথ্য চুরিসহ বিভিন্ন নিরাপওাঝুঁকি থাকে।
আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে যোগাযোগ করুন

Email: freelancingbd2001@gmail.com 

Mobile: 01941099667



কথা বললেই লেখা হবে জেনে নিন মোঃসুমন মিয়া , আইসিটি বিশেষজ্ঞ এস.এস.আইসিটির (পরিচালক )


কথা বললেই লেখা হবে জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার  হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ  টপ.আইটির  (পরিচালক)

একদিকে কথা বলছেন আর অন্যদিকে মোবাইলে লেখা হয়ে যাবে সেসব কথা, তাহলে বিষয়টা কেমন হয়? শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের লেকচার কিংবা সাক্ষাৎকার যদি তৎক্ষণাৎই লেখা হয়ে যায় এক নিমেষে, তাহলে তো কথাই নেই। এখনই এক অ্যাপ হচ্ছে অটার ভয়েস নোটস,। ব্যবহারকারীর পছন্দ অনুযায়ী ভয়েস রেকর্ড এবং ওই ভয়েসকে ভার্চুয়াল নোটে রূপান্তর করার কাজ করে থাকে অ্যাপটি। অ্যাপটি ডাউনলোড করে নেওয়ার পর, শুধু একটি ফ্রি-আইডি তৈরি করে নিতে হয় ব্যবহারকারীকে। ওই ফ্রি আইডি দিয়ে ৬০০ মিনিট পর্যন্ত ভয়েস রেকর্ডের এবং ভার্চুয়াল নোট তৈরির সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে চাইলে টাকার বিনিময়ে প্রমিয়াম সেবা নিয়ে ছয় হাজার মিনিট পর্যন্তও রেকর্ড করা সম্ভব অ্যাপটির মাধ্যমে। ফ্রি আইডির মাধ্যমে অ্যাপটিতে প্রবেশ করার পর মোবাইলের স্ক্রিনের ডান দিনে একটি মাইক্রোফোনের চিহ চোখে পড়বে। ওই চিহটিতে ট্যাপ করা মাত্রই ভয়েস রেকর্ডিংয়ের কাজ শুরু করে দেয় অ্যাপটি। এ সময় যে শুধু ভয়েস রেকর্ড হয়, তা নয়। ভয়েসের পাশাপাশি স্ক্রিনে ভেসে উঠতে থাকে লেখাও। রেকর্ডিং শেষ হলে পুরো কথাবার্তাই লিখিত আকারে সেভ হয়ে যায়। এমনকি ফাইলের নামও নিজে থেকেই ঠিক করতে পারে অটার। অ্যাপটিকে স্মার্টফোনের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সিংক করে নিলে, ঠিক কখন কোন মিটিং বা অনুষ্ঠানের ভয়েস রেকর্ড করা হচ্ছে, তা ক্যালেন্ডারের পূর্বনির্ধারিত তারিখ ও সময় দেখে বুঝতে পারে অ্যাপটি এবং সে অনুযায়ী ফাইলের নামও ঠিক করে থাকে। তবে ইংরেজি ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় সেবা দিতে পারে না অটার ভয়েস নোটস। তার পরেও বলা যায়-শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মজীবীদের প্রায় সবারই বেশ কাজে লাগাতে পারে এই অ্যাপ।
ডাউনলোড লিংক

 আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে যোগাযোগ করুন

Email: freelancingbd2001@gmail.com 

Mobile: 01941099667



বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৯

বিটকয়েন ওয়ালেট কি ? কিভাবে একটি বিটকয়েন ওয়ালেট অ্যাকাউন্ট খুলবেন )জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ টপ.আইটির (পরিচালক)

বিটকয়েন ওয়ালেট কি ? কিভাবে একটি বিটকয়েন ওয়ালেট অ্যাকাউন্ট খুলবেন জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার  হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ  টপ.আইটির  (পরিচালক)

 আসসালামু আলাইকুম,
ভুমিকাঃ  আজ আমরা জানব বিটকয়েন ওয়ালেট কি এবং কিভাবে একটি বিটকয়েন ওয়ালেট অ্যাকাউন্ট খুলবেন। আমি এখন থেকে কয়েক টি পোস্টে সহজ ভাবে বিটকয়েন জমানোর ট্রিকগুলি শেয়ার করব । তার আগে আমাদের জানা দরকার বিটকয়েন কি এবং বিটকয়েন কোথায় জমা হয় ইত্যাদি বিষয় তো একে একে আমরা সব জানব ।
বিটকয়েন ওয়ালেট ( Bitcoin Wallet ) কি ?
আমরা যদি চিন্তা করি তাহলে আমরা দেখতে পাবো দৈনন্দিন জীবনে আমাদের টাকা-পয়সা গুলো রাখতে একটি ম্যানি ব্যাগ ব্যবহার করি থাকি বা অন্য কিছু একটি ব্যবহার করে টাকা রাখতে ।  ঠিক তেমনি বিটকয়েন ক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গাতে জমা করা বিটকয়েন গুলো তো আমাদের রাখা প্রয়োজন কোথায় রাখবেন ? এজন্য কিছু ওয়েব সাইট আছে যেগুলো আপনাকে বিটকয়েন জমা রাখতে দিবে এবং প্রয়োজনে লেন-দেন করতে পারবেন । অর্থ্যাৎ যেখানে বিটকয়েন জমা রাখা হয় তাকে বিটকয়েন ওয়ালেট ( Bitcoin wallet )  বলে
বিটকয়েন ওয়ালেট অ্যাড্রেস
বিটকয়েন ওয়ালেট অ্যাড্রেস হলো আপনার বিটকয়েন জমানোর ঠিকানা যেখানে আপনার বিটকয়েন জমা হবে ।যখন আপনি কোন একটি বিটকয়েন ওয়ালেট অ্যাকাউন্ট করবেন তখন আপনাকে একটি টুলস দেওয়া হবে যার মাধ্যমে একটি বিটকয়েন ওয়ালেট অ্যাড্রেস তৈরী করতে পারবেন । আর যখন কোন সাইট আপনাকে বলবে যে এখানে আপনার বিটকয়েন অ্যাড্রেস দিন তখন ঐখানে এটি দিতে হবে।
কয়েকটি বিটকয়েন ওয়ালেটের নামঃ
  • Coinbase
  • Blockchain
  • Coinpayments
  • Uphold etc
বিটকয়েন ওয়ালেট কি ফ্রি খোলা যায় ? 
হ্যাঁ আপনি বিটকয়েন ওয়ালেট একদম ফ্রি তে খুলতে পারেন এক্ষেত্রে আপনার কোন ডলার ফি দিতে হবে না । কিন্তু আপনি যখন কোন লেন-দেন করবেন তখন সেখান থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি নিবে বিটকয়েন ওয়ালেট কোম্পানি এটিই তাদের সাধারণত তাদের লাভ। আবার কিছু সাইট আছে বিটকয়েন ওয়ালেট কোম্পানি আছে যারা তাদের   সার্ভিসে করা অ্যাকাউন্ট থেকে তাদের অন্য অ্যাকাউন্ট টে বিটকয়েন সেন্ট করতে কোন ফি কাটে না ।
যেমনঃ কয়েনবেজ ( Coinbase ) ।
কয়েনবেজ ( Coinbase ) ব্যবহারের সুবিধা 
  • অনেক ওয়েব সাইট ও অ্যাপ কয়েনবেজ পেমেন্ট সিস্টেম সাপোর্ট করে ।
  • কয়েনবেজ থেকে অন্য কয়েন বেজ অ্যাকাউন্ট এ ইমেইল দ্বারা বিটকয়েন বা অন্য কিছু লেন-দেন করলে কোন ফি লাগে না ।
  • কয়েনবেজ এ বিটকয়েন ছাড়াও Lite coin, btc cash , etherium ইত্যাদি কয়েন ও জমা করে রাখা যায় ।
  • কয়েনবেজ ব্যবহার করা সহজ অন্য সব এর তুলনায় ।
  • কয়েনবেজ পাচ্ছেন আপনার অ্যাকাউন্ট সিকিউর রাখার সিস্টেম ।
কিভাবে একটি বিটকয়েন ওয়ালেট অ্যাকাউন্ট খুলবেন ?
১। প্রথমে  এই লিংকে যান অথাবা ডাইরেক্ট Coinbase.com যেতে পারেন ।
২। তারপর মেনু থেকে Get Started বা Create Account এ যান ।
৩।  তার একটি ফর্ম পাবেন এটি সঠিক মতো পূরণ করবেন এবং শক্ত একটি পাসওয়ার্ড দিবেন 
৪।  তারপর আপনার ইমেল একটি কনফার্মেশন ইমেল যাবে ।
৫।  ইমেইল চেক করুন দেখি এরকম মেইল পাবেন ভেরিফাই করুন ।
৬।   এখন আপনার নাম্বার টি দিন তারপর একটি কোড যাবে ঐ কোড বসিয়ে দিন ।
৭।  কোড টি এখানে বসিয়ে দিন ।
৮। আমাদের অ্যাকাউন্ট টি হয়ে গেছে নিচের স্ক্রিনশটে আমাদের অ্যাকাউন্ট এর ইন্টাফেস টা দেখতে পাচ্ছি এখন আমাদের একটি বিটকয়েন ওয়ালেট অ্যাড্রেস তৈরী করতে হবে এজন্য Tools এ যায়।
১০।  তাহলে স্ক্রিনশটে মার্ক অংশে আপনার বিটকয়েন ওয়ালেট অ্যাড্রেস টি দেখতে পাবেন এটি আপনার পেমেন্ট নেওয়ার ঠিকানা ।
বিটকয়েন নিয়ে কিছু তথ্য


  • বিটকয়েন কে সংক্ষেপে BTC বলে


  • বিটকয়েন ওয়ালেটে অ্যাড্রেস কে সংক্ষেপে BTC wallet address বলে

    • বিটকয়েন এর একক হলো সাতোশি
    • আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে যোগাযোগ করুন

      Email: freelancingbd2001@gmail.com 

      Mobile: 01941099667

    ফটোশপের সাহাহ্যে ফটো রিটাচ করুন মাত্র এক মিনিটে আর ছবিকে করে তুলুন আরও সুন্দর জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ টপ.আইটির (পরিচালক)

    ফটোশপের সাহাহ্যে ফটো রিটাচ করুন মাত্র এক মিনিটে আর ছবিকে করে তুলুন আরও সুন্দর জেনে জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার  হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ  টপ.আইটির  (পরিচালক)

     

    আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন। আপনাদের দোয়াতে আমিও ভালোই আছি। অনেকদিন পর টিউন করতে বসলাম। ট্রিকবিডিতেও কিছু সময় দিচ্ছি। সময় না পাওয়ার কারণে তেমন টিউন করা হয় না। আজ সময় করেই বসলাম টিউন করার জন্য। আজ আমি খুব সহজ একটি বিশয় নিয়ে টিউন করব। আসলে আজকাল ফটোশপের কাজ সবাই জানে আর ফটোশপ সবার লাগেও। যে কুন কাজে অনলাইনে কাজ করতে গেলেও ফটোশপ দরকার পড়ে। ফটোশপের বেসিক কাজগুলা সবাই জনে এখন। তবে ফটোশপে শর্টকাটে অনেক কিছু করা যায়। আজ আমি ফটো রিটাচ নিয়ে কথা বলব।
    ফটো রিটাচ সম্পর্কে বলতে গেলে অনেক কিছুই বলা যায়। আপনি মাত্র কয়েকটি ধাপ কাজ করেই ফটো রিটাচ করতে পারবেন। মাত্র এক মিনিটেরও কম সময়েই করতে পারবেন। তাই আমি এখানে উদাহরণ দিলাম না। সরাসরি কাজ করবেন। আমি এই টিউনে ফটো রিটাচের ভিডিও টিউটোরিয়ালও শেয়ার করব। তবে আমি সাজেস্ট করব অবশ্যই পুরো টিউনটি পড়বেন। ফটো রিটাচ করলে আপনি দারুণ এক পরিবর্তন দেখতে পারবেন। আমি বেশি কথা বলব না সরাসরি কাজে নেমে পড়ব। তবে একটা কথা আগেই বলে রাখি যারা এর আগে ফটো রিটাচ করেছেন তারা এই টিউন না দেখলেও চলবে তবে যারা এর আগে ফটো রিটাচ করেন নি তারা অবশ্যই দেখবেন। আমি মনে করি এই টিউন প্রত্যেক অনলাইন ইউজারের দেখা উচিৎ। আর বেশি কথা না বলে তাহলে আমরা কাজে নেমে পড়ি।
    Unlimited Web Hosting
    ফটো রিটাচ কেন করবেন?
    আমরা ক্যামেরা দিয়ে ছবি উঠার পর আবহাওয়ার কারণে বা অন্য কারণে ব্রাইটনেস হিউ এই সব ঠিক থাকে না। তাই এই সব ঠিক করে ইমেজকে নান্দনিক করার জন্যই মূলত ফটো রিটাচ করা হয়। ফটো রিটাচ করলে কি ফলাফল পাওয়া যায় তা আপনি নিজে করেই দেখুন। ১মিনিতও লাগবে না।
    দেখুন ফটো রিটাচ কিভাবে করবেনঃ
    প্রথমে ফটোশপ ওপেন করুন। আপনি যেকুন ভার্সনের ফটোশপ ব্যবহার করতে পারেন তবে আমি Adobe Photoshop CS6 ব্যবহার করব এই কাজটি করার জন্য। ফটোশপ ওপেন হয়ে গেলে যে ইমেজটি রিটাচ করতে চান সেটি ফটোশপে ওপেন করুন।
    ইমেজটি সঠিকভাবে ওপেন হয়ে গেলে নিচের ছবির কাজ করুন প্রথমে Image এ জান তারপর তারপর Adjustments তারপর Hue/Saturation এ জান। মানে এরকম Image>Adjustments>Hue/Saturationউপরের কাজটি যদি সঠিকভাবে করে থাকেন তাহলে নিচের ছবির মত একটি বক্স আসবে। সেই বক্সে নির্ধারিত মানগুলো দিন। Hue=20, Saturation=10 and Lightness=3 এবার অকে দিন।
    এবার নিচের ছবিতে লক্ষ করুন Image এ জান তারপর তারপর Adjustments তারপর Brightness/Contrast এ জান। মানে এরকম Image>Adjustments>Brightness/Contrast

    নিচের মত একটি বক্স আসবে। সেখানে মানগুলো দিন Brightness=20 and Contrast=3 তারপর অকে দিন। কাজ শেষ এখন সেভ করুন।

    গ্রাফিক নকশা কি? জেনে নিন জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ টপ.আইটির (পরিচালক)

    গ্রাফিক ডিজাইন/ গ্রাফিক নকশা কি? জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার  হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ  টপ.আইটির  (পরিচালক)

     গ্রাফিক ডিজাইন যোগাযোগ নকশা নামেও পরিচিত, পরিকল্পনা এবং প্রজেক্টিং এবং দৃশ্যমান এবং পাঠ্যবই কন্টেন্ট সঙ্গে অভিজ্ঞতা এবং শিল্পকর্মের অভ্যাস। এটি গ্রহণ করা ফর্মটি শারীরিক বা ভার্চুয়াল হতে পারে এবং ছবি, শব্দ বা গ্রাফিক্সগুলি অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। অভিজ্ঞতা একটি তাত্ক্ষণিক বা দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সঞ্চালিত হতে পারে। একটি জাতীয় পোস্ট সিগন্যাল সিস্টেমের জন্য একক ডাকটিকিটের নকশা থেকে যেকোনো স্কেলে কাজটি ঘটতে পারে। এটি একটি অল্প সংখ্যক মানুষ, যেমন এক বন্ধ বা সীমিত সংস্করণ বই বা প্রদর্শনী নকশা, অথবা একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার অন্তর্গত ডিজিটাল এবং শারীরিক বিষয়বস্তু হিসাবে লক্ষ লক্ষ দ্বারা দেখা যায়, জন্য উদ্দেশ্যে করা যেতে পারে। এটি কোনও উদ্দেশ্য, বাণিজ্যিক, শিক্ষাগত, সাংস্কৃতিক বা রাজনৈতিক কিনা তা হতে পারে।
    গ্রাফিক নকশা একটি উদ্দেশ্য সঙ্গে শিল্প। এটি ইমেজ, চিহ্ন বা এমনকি শব্দ ব্যবহার সঙ্গে একটি সমস্যার সমাধান বা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য অর্জন করার জন্য একটি সৃজনশীল এবং নিয়মানুগ পরিকল্পনা জড়িত থাকে এটি বিভিন্ন গ্রাফিক উপাদান এবং সরঞ্জাম ব্যবহার করে চাক্ষুষ যোগাযোগ এবং ধারণা এবং ধারণাগুলির নান্দনিক অভিব্যক্তি।
    গ্রাফিক ডিজাইন এর উপাদানসমূহ
    গ্রাফিক ডিজাইন ছবি, চিত্রণ, লোগো এবং চিহ্ন, টাইপ ভিত্তিক ডিজাইন, বা উভয় কৌশল সমন্বয় চিত্র-ভিত্তিক ডিজাইন ব্যবহার করতে পারেন। এই ডিজাইন নিম্নলিখিত উপাদান বিভিন্ন সমন্বয় অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে যোগাযোগ করুন

    Email: freelancingbd2001@gmail.com 

    Mobile: 01941099667

    ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে যেসব জানতে হবে । জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ টপ.আইটির (পরিচালক)

    ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে যেসব জানতে হবে

    জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার  হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ  টপ.আইটির  (পরিচালক)


    যেভাবে ওয়েব ডিজাইন শিখবেন

    বিভিন্ন ওয়েব সাইটের টিউটোরিয়াল থেকে ওয়েব ডিজাইন ভালভাবে শিখতে পারবেন। বাংলা ইংরেজি অনেক সাইট আছে এসব শেখার।ওয়েব ডিজাইন শেখা বেশ সহজ, কয়েকমাসেই শেখা সম্ভব।ভালভাবে শিখতে পারলে ওয়েব ডিজাইনের উপর প্রচুর চাকরি এবং ফ্রিল্যান্সিং এ হাজার হাজার কাজ পাওয়া যায়।

    ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি

    ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে ওয়েবসাইটের জন্য এপ্লিকেশন তৈরী করা।উপরে যে এপ্লিকেশনগুলির উল্লেখ করেছি এধরনের আরো হাজারো এপ্লিকেশন আছে, ওয়েব ডেভেলপারকে এসব এপ্লিকেশন তৈরী করতে হবে। যদি ফ্রিল্যান্সিং করেন তাহলে ক্লাইন্টের চাহিদা অনুযায়ী এমনও এপ্লিকেশন তৈরী করা লাগতে পারে যার অস্তিত্ব পৃথিবীতে নেই। এই বিষয়টি বেশি চ্যালেন্জিং এবং ডাইনামিক।অর্থ্যাৎ আপনাকে এপ্লিকেশন ডিজাইন করতে হবে। তাই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কে আরও সুনির্দিষ্ট করে বলা যায় ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট।

     এইচটিএমএল, সিএসএস এবং এরপর নিচেরগুলি..

    ক্লাইন্ট সাইড প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যেমন জাভাস্ক্রিপ্ট : এটাকে ব্রাউজার স্ক্রিপ্টিং ও বলা হয় অর্থ্যাৎ এই ল্যাংগুয়েজ দিয়ে লেখা কোড শুধু কোন ব্রাউজারে (যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মজিলা ফায়ারফক্স, অপেরা, গুগল ক্রোম ইত্যাদি) কাজ করবে।জাভাস্ক্রিপ্টের ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে দ্রুত কাজ করা যায়। এরুপ একটি ফ্রেমওয়ার্ক জেকোয়েরি টিউটোরিয়াল
    সার্ভার সাইড প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যেমন পিএইচপি : এটাকে সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং বলা হয় কারন এই ল্যাংগুয়েজ দিয়ে লেখা কোডগুলি শুধু সার্ভারে এক্সিকিউট হয়।
    ডেটাবেস : পিএইচপি দিয়ে কিভাবে ডেটাবেস সংযোগ করতে হয়, এসকিউয়েল দিয়ে ডেটাবেস বানানো অর্থ্যাৎ ডেটাবেস ডিজাইন জানতে হবে কারন এখন যেকোন ডাইনামিক সাইটের ডেটাবেস আছে অথবা বলতে পারেন ডেটাবেস থাকতেই হয়।
    পিএইচপি এর যেকোন একটা ফ্রেমওয়ার্ক যেমন কোডইগনাইটার : (আরও আছে যেমন কেক পিএইচপি, জেন্ড ফ্রেমওয়ার্ক, সিমফনি, ওয়াই আইআই, কোহানা ইত্যাদি একটা শিখলেই চলবে) : কোন ফ্রেমওয়ার্ক ছাড়াও ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরী করতে পারবেন তবে এতে বেশি সময় লাগবে এবং বেশি কোড লিখতে হবে।

    আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে যোগাযোগ করুন

    Email: freelancingbd2001@gmail.com 

    Mobile: 01941099667



    মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৯

    ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য সেরা কিছু সাইট জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ টপ.আইটির (পরিচালক)

    বাংলাদেশ এখন ফ্রিল্যান্সিং জগতে দ্বিতীয় অবস্থান অর্জন করেছে আর তা শুধু সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশেরই এক ঝাক তরুণ-তরুণীর অধম্য এবং ধীর-মনোবল এর জন্য। আর তাদের থেকে অনুপ্রাণীত হয়ে আজকাল অনেকেই  ফ্রিল্যান্সিং এর জগতে প্রবেশ করছেন, তবে ভুলভাবে বা ভুয়া ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কষ্ট করে নানাভাবে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন তারা। আবার অনেকেই খুঁজে পাচ্ছেন না ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করার সঠিক  ক্ষেত্র।
    তাদের জন্যই আজ আমি নিয়ে এসেছি কত গুলো ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট।তাহলে দেখে নিন কোন কাজের জন্য কোন সাইটে যেতে হবে।এখান থেকেই আপনার উপযুক্ত সাইটটি খুজে নিয়ে কাজে লেগে পড়ুন সফলতা অবশ্যই আসবে।
    যারা লিখতে ভালোবাসেন– অনলাইন রাইটিং জবস, ডেইলি পোস্টস, কানাডিয়ান ফ্রিল্যান্স রাইটিং জবস, টেক্সটব্রোকার, জার্নালিজম জবস, মিডিয়া বিসট্রো,দ্য শেলফ, প্রো ব্লগার জবস।
    সবধরনের ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায় যেসব সাইটে– ফাইভার,আপওয়ার্ক গুরু, ফ্রিল্যান্সার, উই ওয়ার্ক রিমোটলি, ফিভেরর,অনসাইট,  ফোলিয়ো,ম্যাচিস্ট, মেকানিক্যাল টার্ক, দ্য মুসে, ইনডিড, ফ্রিল্যান্সড, স্কিপ দ্য ড্রাইভ, ভার্চ্যুয়াল ভোকেশনস, র‍্যাট রেস রিবেলিওন, ওয়ার্কিং নোম্যাডস, রিমোটিভ,ফ্লেক্সজবস,পিপপ পার আওয়ার, ক্রাউড সাইট, ইউনোজুনো,জাস্ট অ্যানসার, ক্রোপ,ক্লাউড পিপস,মিফি জবস,একুয়েন্ট।
    যারা শিক্ষণীয় কিছু করতে চান– টিউটর ডট কম, চিগ টিউটরস,টিউটর ভিসতা।
    যারা ছবি তুলতে ভালোবাসেন-ফ্লেক্সজব, ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার জবস, ফটোগ্রাফি জবস, গেট ফটোগ্রাফি জবস, দ্য ক্রিয়েটিভ লোফট।
    প্রযুক্তি বিষয়টিকে যারা ভালোবাসেন– পাওয়ারটো ফ্লাই, অথেন্টিক জবস,স্টাক ওভারফ্লো,স্লোগিগ,ডাইস,গিগস্টার,ফ্রিল্যান্সার ম্যাপ।
    Toptalআপনি যদি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে একজন ভালো ডেভেলপার হয়ে থাকেন তাহলে Toptal আপনার জন্য একটি ভালো কাজের সাইট। অন্যান্য সাইটগুলোতে সাধারনত বিভিন্ন ধরনের কাজ থাকে । কিন্তু এখানে শুধু ডেভেলপারদের উপর ফোকাস করা হয়।
    WordPressএটি ওয়ার্ডপ্রেসের একটি অফিসিয়াল জব বোর্ড। এখানে আপনি প্লাগিন ডেভেলপমেন্ট, থিম কাস্টমাইজেশন, বা ওয়ার্ডপ্রেস সাইট অপ্টিমাইজেশান এই ধরনের কাজ পাবেন। আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেসের ভালো কাজ পারেন তাহলে সহজেই এখানে কাজ পাবেন।
    Smashing Jobsপ্রোগ্রামার, ওয়েব ডিজাইনার আরও অন্যান্য অনেক জবের সুবিধাসহ এটি একটি সুন্দর একটি জব পোর্টাল।
    WPHired: ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের জন্য এই সাইটটি একটি খুব বড় ধরনের ভালো সুযোগ। WPHired এ ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কিত প্রোজেক্টে এ একজন ফুল টাইম ফ্রিলান্সার বা পার্ট টাইম বা ইন্টার্ননি হিসাবে কাজ করতে পারবেন।
    আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে যোগাযোগ করুন

    Email: freelancingbd2001@gmail.com 

    Mobile: 01941099667

    ফাইভারের কিছু বেসিক নিয়ম-কানুন জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ টপ.আইটির (পরিচালক)

    ফাইভারের কিছু বেসিক নিয়ম-কানুন জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার  হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ  টপ.আইটির  (পরিচালক)

    )

    Fiverr: অনেকেই ফাইভারে কাজ করেন। কিন্তু ফাইভারের বেসিক নিয়মগুলো জানেন না, তাদের জন্যই আজ আমার এই লেখা।যারা ফাইভারে নতুন তারা ফাইভারের অনেক সাধারণ নিয়ম কানুন না জানার কারণে তেমন একটা সুবিধা করে উঠতে পারেন না।তাই তাদের এই নিয়ম কানুন গুলো জানা প্রয়োজন।
    1. একটি IP একটি মাত্র একাউন্ট এর জন্য ব্যবহার করতে হবে। যদি একটি IP থেকে একাধিক একাউন্ট ওপেন করা হয় । তাহলে Fiverr কমিউনিটি উভয় একাউন্টই Restricted করে দিবে সেটা যেই হউক না কেন আপনি যদি লেভেল ২ সেলার হন তাহলেও।
    2.একটি পেপাল একাউন্ট একটি মাত্র একাউন্ট এর জন্য । তবে অনেক ইউজার আছেন তারা একটি পেপাল একাউন্ট একাধিক একাউন্ট এ ব্যবহার করে তাদের সাধের একাউন্টটি হারিয়েছেন।
    3. Fiverr এর মেসেজ অপশনের মাধ্যমে আপনি আপনার কোন প্রকার কন্টাক্ট এড্রেস বায়ারকে দিতে পারবেন না। যদি দিয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে প্রথমবার ওয়ারনিং দিবে। তারপর ও যদি দিয়ে থাকেন। তাহলে আপনার একাউন্ট ব্যানড করে দিবে।4. একটি একাউন্ট ওপেন করার পর সেই একাউন্টটি সেই একই IP দিয়ে চেক করতে হবে। IP পরিবর্তন হলে Fiverr কমিউনিটি আপনার একাউন্টটি ব্যান্ড করবে।
    5. Fiverr.com এর পেমেন্ট মেথড দুইটি: পেপাল এবং পেওনিয়র
    6. আপনি যদি Fiverr এ 10 টি গিগ সেল করেন এবং আপনার যদি ভালো ফিডব্যাক থাকে এবং আপনার একাউন্ট যদি 1 মাস একটিভ থাকে তাহলে Fiverr কমিউনিটি আপনার একাউন্টটিকে লেভেল #1 এ নিয়ে নিবে। তারা আপনার একাউন্ট এ একটি লেভেল #1 এর ব্যাচ দিবে।
    7. আপনি যদি Fiverr এ 50 টি গিগ সেল করেন এবং আপনার যদি ভালো ফিডব্যাক থাকে এবং আপনার একাউন্ট যদি 2 মাস একটিভ থাকে তাহলে Fiverr কমিউনিটি আপনার একাউন্টটিকে লেভেল #2 এ নিয়ে নিবে। তারা আপনার একাউন্ট এ একটি লেভেল #2 এর ব্যাচ দিবে।
    8. আপনি যদি Fiverr এ 250 টি গিগ সেল করেন এবং আপনার যদি ভালো ফিডব্যাক থাকে এবং আপনার একাউন্ট যদি 4 মাস একটিভ থাকে তাহলে Fiverr কমিউনিটি আপনার একাউন্টটিকে টপ লেভেল এ নিয়ে নিবে। তারা আপনার একাউন্ট এ একটি টপ লেভেল এর ব্যাচ দিবে।
    9. লেভেল #1, লেভেল #2, টপ লেভেল এর সুবিধা হচ্ছেঃ প্রচুর কাজ পাওয়া যায়। প্রত্যেকটি কাজের মূল্যা অনেক বেশী নির্ধারণ করে দেওয়া যায়।
    10.Fiverr.com এ সর্বনিম্ন Withdraw পেপাল একাউন্ট এ 4$ ।
    11. যদি কখনও অন্য কোন মডেম ব্যবহার করার দরকার হয়। তাহলে আপনার ফাইবার থেকে সাইট আউট করবেন তারপর ব্রাউজার ক্লিন করে তারপর আপনার পূর্বের মডেমটি রিমুভ করে তারপর নতুন মডেমটি ইনস্টল দিয়ে তারপর কাজ শেষে আবার অনইনস্টল করে তারপর ব্রাউজার ক্লিন করে। আবার আগের মডেম ইনস্টল দিয়ে কাজ করবেন।
    12. তবে সিঙ্গেল মডেম ব্যবহার করাই ভালো। কোন প্রকার সমস্যা হবে না।
    আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে যোগাযোগ করুন

    Email: freelancingbd2001@gmail.com 

    Mobile: 01941099667

    ফ্রিলেন্সিং মার্কেটপ্লেসের বাহিরেও কাজ পাওয়ার উপায় জেনে নিন জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ টপ.আইটির (পরিচালক)

    ফ্রিলেন্সিং মার্কেটপ্লেসের বাহিরেও কাজ পাওয়ার উপায় জেনে নিন মোঃ দেলোয়ার  হোসেন ,আইসিটি বিশেষজ্ঞ  টপ.আইটির  (পরিচালক)


    অনলাইনে সারাবিশ্ব থেকে যত পরিমান কাজ পাওয়া যায় তার মাত্র 23% বর্তমান ফ্রিলেন্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে পাওয়া যায়। তাহলে বাকি কাজগুলো কোথায় পাওয়া যায় কারা দেয় এবং এ কাজ গুলো আপনি কিভাবে পাবেন সেটি নিয়েই আমি এ পর্বে লেখার চেষ্টা করব।
    ১)সোশ্যাল মিডিয়া:  আমরা সাধারণ জনগণ যেমন সোশ্যালমিডিয়া সাইটগুলো নিয়মিত ব্যবহার করি, তেমনি দেশের প্রেসিডেন্ট কিংবা অন্য বড় বড় ব্যক্তিরা কিংবা বড় বড় কোম্পানীর মালিকরাও নিয়মিত এই সাইটগুলোতে প্রবেশ করেন। এজন্য এসব জায়গাগুলো থেকেও প্রচুর কাজ পাওয়া যায়। বিশেষ করে লিংকডিন (linkdin) থেকে কাজ পাওয়া যায় অনেক বেশি।
    টুইটারে সারা বিশ্বের প্রতিদিন বিভিন্ন কাজের জন্য লোক চেয়ে তাদের নিজেদের প্রোফাইলে স্ট্যাটাস দিচ্ছে, সেইসব স্ট্যাটাস গুলো খুজে বের করতে পারবেন। সেই সব লোকদের পোস্টে গিয়ে কমেন্টে আপনার অফারটি দিয়ে আসুন। সেই অফার পছন্দ হলে কাজ পেয়ে যেতে পারেন।কাজটি করার জন্য টুইটারে যেতে হবে।
    টুইটারে নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করে এ লিংকটিতে (https://twitter.com/search-advanced) প্রবেশ করুন। সেখানের  সার্চ অপশনটি  কাজে লাগিয়ে খুজে বের করুন, কারা কাজ করানোর জন্য লোক খুজছে।
    বিশ্বের বেশিরভাগ বায়াররাই মার্কেটপ্লেসে গিয়ে তার কাজের জন্য নতুন কাউকে খুজে বের করাটাকে বিরক্তিকর কাজ মনে করে (ঠিক যেমন যে কাজ খোজে তার জন্য মার্কেটপ্লেসে কাজ খোজাটা বিরক্তিকর মনে করে)। লোকাল যে কোন চাকুরীর ক্ষেত্রে যেমন সবার প্রথম নিজের পরিচিতদের মধ্যে যোগ্য কেউ থাকলে তাকেই সবাই নিতে চায়, কারণ পরিচিত একজনের ব্যপারে রিস্ক অবশ্যই কম থাকে। অনলাইনের এ যুগে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের যেকোন কারও সাথেইও পরিচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে আর পরিচিত হওয়ার সে সুযোগটি করে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো। এসব সাইটগুলোতে নিজেকে প্রফেশনাললি, নিজেকে কাজের দক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করুন। সোশ্যাল মিডিয়া কাজ খোজার জন্য অনেক শক্তিশালী একটি প্লাটর্ফম । ফেসবুক, লিংকডিন,টুইটার এইসব সোশ্যাল মিডিয়া গুলো হতেই পেতে পারেন প্রচুর কাজ। তাছাড়া গ্রাফিকসের জন্য কাজ পেতে চাইলে নিচের দুটি মার্কেটপ্লেসে যুক্ত থাকতে পারেন।
    ১)বিহেন্স (https://www.behance.net/)
    ২) ড্রিবল (https://dribbble.com/)
    ২) ব্লগিংয়ের মাধ্যমে কাজ খোজাঃ ব্লগিং কাজ খোজার অন্যতম একটি শক্তিশালী মাধ্যম। ব্লগিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন মানুষদের কাছে নিজের কাজের দক্ষতা প্রমাণ করা সম্ভব।  যে বিষয়ের উপর কাজ পেতে চাচ্ছেন, সে বিষয়ের উপর নিজেকে দক্ষ হিসেবে প্রকাশ করতে কিংবা নিজেকে ব্রান্ডিং করতে ব্লগিং অনেক বেশি কাযকরী। আপনি যখন নিজেকে দক্ষ হিসেবে সবার কাছে ব্রান্ড করতে পারবেন, তখন কাজ খুজতে হবেনা। বায়ার নিজে এসে আপনাকে কাজ করার জন্য অফার করবে এবং সেটি হবে অবশ্যই যেকোন মার্কেটপ্লেসের চাইতে কমপক্ষে দ্বিগুন রেটে। বিখ্যাত ব্লগিং সাইটগুলোতে গেস্ট হিসেবে ব্লগিং  করে কিংবা নিজের পার্সোনাল ব্লগ তৈরি করে ব্লগিং শুরু করতে পারেন, যার লক্ষ্য থাকবে আপনার দক্ষতাকে ব্রান্ডিং করা।
    যত সময় ব্যয় করবেন মার্কেটপ্লেসে কাজের জন্য বিড করে কিংবা কাজ খুজে, ব্লগিংয়ের জন্য তার চাইতে অনেক কম সময় লাগবে। কিন্তু আপনার একেকটি ব্লগপোস্ট আপনাকে বাচিয়ে রাখবে বহুদিন।
    ৩) ভিডিও মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে : ইউটিউবে নিজের একটি ভিডিও  চ্যানেল খুলে সেখানে যে সম্পর্কিত কাজে দক্ষ সে সম্পর্কিত নিজের তৈরি ভিডিও তৈরি করে নিয়মিত আপলোড করুন। এমন ভিডিও তৈরি করতে হবে, যাতে সেটা দেখে অন্যদের ভিতর সেই কাজের ব্যাপারে আপনাকে অভিজ্ঞ হিসেবে ধারণাটা পাকাপোক্ত হবে। এ ভিডিওকে ইউটিউবের সার্চের প্রথমে নিয়ে আসার কাজটিও করতে হবে। না হলে ভিডিওটি বেশি মানুষের নজরে আসবেনা। বেশি মানুষ আপনার ভিডিও না দেখলে উদ্দেশ্য সফল হবেনা অর্থাৎ কাজ পাবেননা।
    ৩) প্রেজেন্টেশন স্লাইড মাধ্যমেও কাজ পাবেনঃ স্লাইডশেয়ার (slideshare.net) নামে একটি সাইট রয়েছে যেখানে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন আপলোড করা হয়। এ সাইটের লিংকগুলো গুগলে খুব সহজে র‌্যাংক পায়। গুগলের কাছে যেমন জনপ্রিয় এ সাইটটি। তেমনি প্রচুর মানুষের কাছেও জনপ্রিয়। আর সেজন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর মানুষ এ সাইটে এসে নিয়মিত তাদের চাহিদা অনুযায়ি বিষয় সার্চ করে। সেজন্য এ নিজের একটি প্লানিং ঠিক করেন। প্রতি মাসে কমপক্ষে ২টি প্রেজেন্টেশন এ সাইটটিতে পোস্ট করবেন। এ প্রেজেন্টেশনটির কন্টেন্ট হবে অবশ্যই  অন্যদের জন্য উপকারী। তবে প্লেজেন্টেশনটির শেষ স্লাইডে আপনি কাজ চেয়ে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। এভাবেও অনেককে আমি কাজ পেতে দেখেছি।
    ৪) পোর্টফলিও সাইট তৈরি করে এসইও করার মাধ্যমেঃ নিজের একটি পোর্টফলিও সাইট তৈরি করে সেই ওয়েবসাইটকে নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড দিয়ে গুগল সার্চের ফলাফলের প্রথমে নিয়ে আসতে পারলে সেখান থেকে কাজ পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ওয়েবসাইটকে আগে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে হয়। এ ধরনের ওয়েবসাইটগুলো র‌্যাংকিং এর পাশাপাশি ট্রাফিক অ্যানগেজমেন্টর উপরই কাজ পাওয়া বেশি নির্ভর করে। আর এভাবে কাজ যোগাড় করলে সারাজীবনই কাজ পেতে থাকবেন।
    ৫) ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমেঃ ইমেইল মার্কেটিং সম্পর্কিত বেসিক জ্ঞান থাকলে বিভিন্ন কোম্পানীর সাথে যোগাযোগের মাধ্যম খুজে বের করে তাদেরকে অফার জানিয়ে নিয়মিত মেইল করুন। তাদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলেন। এভাবে প্রচুর কাজ পাওয়া যায়। বড় আকারে কাজ পেতে চাইলে এ পদ্ধতি অনেক বেশি কার্যকরী। সবারই ইচ্ছা থাকে ভবিষ্যতে বড় আইটি প্রতিষ্ঠান তৈরির।  যারা এরকম চান, তাদের জন্য এ পদ্ধতিটি  বেশি কার্যকরী। তবে আগে একটি প্রফেশনাল পোর্টফলিও ওয়েবসাইট তৈরি করে নিলে বেশি ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে।
    ৬) ফোরাম পোস্টিংয়ের মাধ্যমেঃ অনেকে ভাবছেন লেখালেখি আপনার দ্বারা সম্ভব হবেনা। সুতরাং ব্লগিং করে কাজ যোগাড় বুদ্ধিটি আপনার কাজে লাগবেনা। সোশ্যাল মিডিয়াতে কিভাবে নিজের স্কীল হিসেবে প্রকাশ করব, সেটিও আমার দ্বারা হবেনা মনে করছেন, তারা ফোরাম পোস্টিং করে নিজে দক্ষতা সবার সামনে প্রকাশ করতে পারেন। ব্লগিংয়ে লেখার জন্য টপিকস খুজতে হলেও ফোরামে সেই ঝামেলাতে পড়তে হবেনা। কারণ এখানে বিভিন্ন জনের প্রশ্নের উত্তরগুলো ভালভাবে আকর্ষণ করার মত করে দিলেই হবে। এরকম নিয়মিত কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর উত্তর দিতে থাকলে সেই বিষয়ের উপর আপনার দক্ষতা সবার কাছেই প্রকাশিত হয় অর্থাৎ সেই দক্ষতা বিষয়ে নিজের ব্রান্ডিংটা হয়ে যায়, নিজের ব্রান্ডিং হলে কি সুবিধা হবে সেটি আগেই আলোচনা করেছি।
    আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে যোগাযোগ করুন

    Email: freelancingbd2001@gmail.com 

    Mobile: 01941099667